ডিএসই’তে বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন

ঢাকার পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের কারণে দাম কমেছে বেশিরভাগ শেয়ারের। এখন কম দামে শেয়ার কিনলেই মুনাফার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি- বলছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বাজারকে গতিশীল করার জন্য নতুন বিনিয়োগ দরকার আইসিবি’র মাধ্যমেও।

গেল ৫ মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। গেল বুধবার প্রধান সূচক কমেছে ৭০ পয়েন্ট। এতে বেশিরভাগ শেয়ারের দর অনেক কমে গেছে। কম দামে এসব শেয়ার কেনার জন্য প্রচুর বিনিয়োগ আসবে- আশা বাজার সংশ্লিষ্টদের। 

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশানের সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, ‘অল্প অল্প করে যদি শেয়ারের দাম পাঁচ অথবা দশ পয়েন্ট কমে যায় তখন কিন্তু বায়াররা আগ্রহী হন না। কিন্তু যখন একসাথে অনেক বেশি দাম কমে যেমন ৭০ পয়েন্ট তখন নতুন করে অনেক বায়ার আসে। আর যারা বুদ্ধিমান বিনিয়োগকারী, তারা কমদামে শেয়ার কিনে রাখে, যাতে করে পরে ভালো দামে বিক্রি করতে পারে।’

এই বাজার গতিশীল করতে আইসিবির মাধ্যমেও বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন ডিএসই সাবেক সহ সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী। তিনি বলেন,
‘বাজারে একটা লিকুডিটির পুস লাগবে এই কথাটা ঠিক। কিন্তু এ পুসটা বাংলাদেশ ব্যাংক কিভাবে আইসিবির মাধ্যমে করবে সেটা হলো দেখার বিষয়। সেটা সময়ই বলে দিবে।’

এমন বিনিয়োগ সহায়তা দিয়ে বাজার বেশিদিন ধরে রাখা যাবে না, দাঁড়াতে হবে নিজের পায়েই বলে জানান ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশানের সভাপতি শাকিল রিজভী। তিনি জানান, ক্যাপিটাল মার্কেট কারও সার্পোটে চলে না। ক্যাপিটাল মার্কেট চলে বিনিয়োগকারীর টাকায়। বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণই মার্কেট চলবে।’ 

সেইসঙ্গে বাজার ধরে রাখতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের বেশি হারে শেয়ার বিক্রিতেও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে। 

ডিএসই সাবেক সহ সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী বলেন, কিছু স্পন্সররা শেয়ার বিক্রিতে চলে আসছে এবং সেটার পরিমানও অনেক। স্পন্সররা বাজারে শেয়ার বিক্রি করবে। এটাতে কোন সমস্যা নাই। তবে আইনটিকে একটু সুন্দর সমন্বয় দরকার।

গেল ১৫ কার্যদিবসে ঢাকার পুঁজিবাজারে প্রধান সূচক কমেছে ১৯৪ পয়েন্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: