রোকেয়া হলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল ক্যাম্পাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাওসহ দফায় দফায় বিক্ষোভ করছেন ভোট বর্জনকারীরা। বেলা সাড়ে ১২টয় ভোটগ্রহণ বন্ধ হলেও বিকেল ৩টায় আবারো ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্খিত ঘটনায় রোকেয়া হলের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে রাখা হয়। এতে, সংবাদ সংগ্রহ করতে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি গণমাধ্যমকর্মীরা।

এদিকে, এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন আখ্যা দিয়ে আবারো ভোট বর্জনকারীরা আবারো নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

এর আগে, অনিয়মের অভিযোগে ডাকসু নির্বাচনের বর্জন করে ছাত্রদলসহ ৭টি প্যানেল। এরা হলো, ছাত্রদল, প্রগতিশীল ছাত্র জোট, স্বতন্ত্র জোট, স্বতন্ত্র স্বাধীকার জোট ও কোটা সংস্কার প্যানেল। আজকের নির্বাচন বাতিল করে পুন:তফসিলের সব ধরণের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছে দিয়েছে তারা।

সোমবার দুপুুরে, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি, ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে বাধাসহ নানা কারণ উল্লেখ করে ছাত্রদলসহ ওই ৭টি প্যানেল ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। এ সময়, ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান নির্বাচন কমিশন বাতিল, নীল দলের শিক্ষকদের কমিটি থেকে বাদ দেয়া, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের দাবি জানান। এছাড়া আজকের ভোটের ফলাফল ঘোষণা না করারও দাবি জানান তারা। এসব দাবির পাশাপাশি আগামীকাল মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে তারা।

রবিবার সকালে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও, বেগম রোকেয়া ও বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে খালি ব্যালট বাক্স পাওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে প্রশাসন। প্রায় সোয়া তিন ঘণ্টা পর, মৈত্রী হলে আবারও শুরু হয় ভোটগ্রহণ। তবে, খালি ব্যালট বাক্স দেখানোর দাবিতে সকাল থেকে রোকেয়া হলেও সোয়া ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শুরু হয় ভোটগ্রহণ। তবে, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে এই হলের ভোটগ্রহণ আবারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

তবে, বাকি হলগুলোতে নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ চলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: