অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে

দেশের সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭’শ কোটি ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে। যার বড় অংশই এসেছে বিদেশি উৎস থেকে।

বেজা বলছে, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিদেশি বিনিয়োগের মন্দা কাটতে শুরু করেছে। তবে শুধু অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়, ওয়ানস্টপ সার্ভিস শতভাগ চালু হলে পুরো বাংলাদেশই বিদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগের আকর্ষনীয় গন্তব্য হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

এখন পর্যন্ত ৫’শ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। এ যাবৎকালে এটিই বাংলাদেশে অষ্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক উদ্যোগ। নারায়নগঞ্জের মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্যাক্ট গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান টিআইসি’র এই কারখানা আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হয় ফেব্রুয়ারিতে।

আরও অনেক বিশ্ব উদ্যোক্তার পছন্দের তালিকায় আছে বাংলাদেশ। চীন জাপান, সিঙ্গাপুর, ভারত, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য থেকে একের পর এক বিনিয়োগ প্রস্তাব পাচ্ছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কারখানা নির্মাণ চলছে। কেউ কেউ উৎপাদনও শুরু করেছে।

কিন্তু অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে বিনিয়োগে তেমন সাড়া মিলছে না। সে মন্দাও শিগগির কাটবে বলে আশা করছেন সালমান এফ রহমান।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন-২০১৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০১৭ সালে মাত্র ২১৬ কোটি ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছে, যা এ অঞ্চলে সবচেয়ে কম। তবে আগামী কয়েক বছরে এ চিত্র পুরোপুরি বদলে দিতে চায় বেজা।

%d bloggers like this: