২য় ধাপে প্রার্থী নির্ধারণে আওয়ামী লীগের বৈঠক অনুষ্ঠিত

সংরক্ষিত মহিলা আসনে আরও ২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন ও নাটোরের রত্ন আহমেদ। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের ১শ’ ২৯ উপজেলায় দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে এদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বৈঠকে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আনোয়ার সাদাত সম্রাটকে মনোনয়ন দেয়া হয়। আজ শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের ১৯ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৮ মার্চ এসব উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিতব্য ৮৭টি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সকালে, ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সেইসাথে ভাইস চেয়ারম্যান পদ উন্মুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিরোধী দল শক্তিশালী হলে গণতন্ত্রের জন্য ভালো। বিএনপি দুর্বল হোক, সেটা আমরা চাই না। কিন্তু তারা নিজেদের নেতিবাচক রাজনীতির জন্য দুর্বল হলে আমাদের কিছু করার নেই।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার আগেই হেরে যায়। তারা নালিশের রাজনীতি করছে। তারা নেতিবাচক রাজনীতি আঁকড়ে ধরে আছে। তারা পুরোনো মরচে ধরা হাতিয়ার নেতিবাচক রাজনীতির হাতিয়ার ব্যবহার করছে।’

গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এসব প্রার্থী চূড়ান্ত হয়। এবার মোট পাঁচ ধাপে দেশের ৪৯২টি উপজেলার মধ্যে ৪৮০টিতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া ৮৭ জনের মধ্যে রয়েছেন, তেঁতুলিয়ার কাজী মাহমুদুর রহমান, দেবীগঞ্জের হাসানুজ্জামান চৌধুরী জজ, বোদার ফারুক আলম, আটোয়ারীর তহিদুল ইসলাম, নীলফামারী সদরের শাহেদ মাহমুদ, ডোমারের তোফায়েল আহম্মেদ, ডিমলার তবিবুল ইসলাম, সৈয়দপুরের মো. মোখছেদুল মোমিন, কিশোরগঞ্জের জাকির হোসেন বাবুল, জলঢাকার আনসার আলী মিন্টু।

লালমনিরহাট সদরের নজরুল হক পাটওয়ারী, পাটগ্রামের রুহুল আমিন বাবুল, হাতিবান্ধার লিয়াকত হোসেন, আদিতমারীর রফিকুল আলম, কালিগঞ্জের মাহবুবুজ্জামান আহম্মেদ, কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরীর মজিবুর রহমান, উলিপুরের গোলাম হোসেন মন্টু, রৌমারীর শওকত আলী সরকার, ফুলবাড়ীর আতাউর রহমান, বাজিতপুরের আবু নুর মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান, কুড়িগ্রাম সদরের আমানুদ্দিন আহম্মেদ।

জয়পুরহাট সদরের এসএম সোলাইমান আলী, পাঁচবিবির আলমগীর শহীদ ম-ল, আক্কেলপুরের আবদুস সালাম আকন্দ, কালাইয়ের মাহফুজুর রহমান, ক্ষেতলালের মোস্তাকিম ম-ল, পবার মনসুর রহমান, তানোরের লুৎফর হায়দার রশিদ, পুঠিয়ার হিরা বাচ্চু, দুর্গাপুরের নজরুল ইসলাম, বাঘার মো. লায়েক উদ্দিন, নাটোর সদরের শরীফুল ইসলাম রমজান, গুরুদাসপুরের জাহিদুল ইসলাম, বাগাতিপাড়ার সেকান্দার রহমান।

সিংড়ার শফিকুল ইসলাম, বড়াইগ্রামের সিদ্দিকুর রহমান পাটওয়ারী, নাগপুরের ইসহাক আলী, সিরাজগঞ্জ সদরের রিয়াজ উদ্দিন, কাজীপুরের খলিলুর রহমান সিরাজ, রায়গঞ্জের ইমরুল হোসেন, খালিয়াজুরীর গোলাম কিবরিয়া জোয়ারদার, দুর্গাপুরের ইমরুল হক খান।

মোহনগঞ্জের শহীদ ইকবাল, বারহাট্টার গোলাম রসুল তালুকদার, কলমাকান্দার আবদুল খালেক, মদনের হাবিবুর রহমান, পূর্বধলার জাহিদুল ইসলাম সুজন, কেন্দুয়ার নুরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সদরের মশিউর রহমান শামীম, নবীগঞ্জের আলমগীর চৌধুরী, লাখাইয়ের মশিউর আলম আজাদ, বাহুবলের আবদুল হাই, মাধবপুরের আতিকুর রহমান, চুনারুঘাটের আবদুল কাদির লস্কর, আজমিরীগঞ্জের মর্তুজা হাসান, বানিয়াচংয়ের আবুল কাশেম, শায়েস্তাগঞ্জের আবদুল রশিদ ইকবাল, সুনামগঞ্জ সদরের খাইরুল হুদা, ধর্মপাশার শামীম আহম্মেদ মুরাদ ও ছাতকের ফজলুর রহমান।

%d bloggers like this: